একজন খুব কাছের মানুষ দেখলাম মোবাইল ক্লিক পোস্ট করেছেন। একটি ছবি। দোল পূর্ণিমার পূর্ণচন্দ্র রাশি রাশি চাঁদের হাসি ছড়াচ্ছে। ক্যাপশান দিয়েছেন “চাঁদ উঠেছিল গগনে”। যাক বাবা! অনেকদিন পরে চাঁদ নিজের বকধার্মিক সঙ্গীটিকে সাথে নিয়ে আকাশে ওঠেন নি দেখে চাঁদি ঠান্ডা হল। সঙ্গ পরিত্যাগ করার জন্য চন্দ্রমাকে এবং ওই দাদাকে অনেক ধন্যবাদ দিয়ে চন্দ্রিলের একটি ভিডিওতে মনঃসংযোগ করলাম।
তবে কাকে দোষ দিই বলুন। বঙ্গসংস্কৃতি অঙ্গসংস্কৃতি বা গুহ্য-অঙ্গ সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে অনেক দিন হল। সেই ব-সূচক শব্দ বাদ দিয়ে কোনো বাক্যই সম্পূর্ণ করেন না এমন পুরুষ বা নারী কম নেই। হঠাত করে সেই ‘ব’ যখন বন্যার মত সোশ্যাল মিডিয়া ছেয়ে ফেলল, মনে হল মুখের সামনে কে যেন আয়না ধরেছে। আর সেই আয়নায় নিজের বিকট মুখব্যাদান দেখে ছিৎকারে ভরে উঠেছে আজকের ব-সন্ত। তাই চলুন না সবাই মিলে আর একবার বলি, “চাঁদ উঠেছিল গগনে” – হ্যাঁ, একা চাঁদ উঠেছিল গগনে। হ্যাঁ, শুধু চাঁদ উঠেছিল গগনে।


আর যে অমলকান্তি “রোদ্দুর” হতে পারে নি, তাঁকে বলি রোদ্দুরের কাছে একটা আলোর প্রতিশ্রুতি আমরা আশা করতেই পারি। রোদ্দুরের কাছে অন্ধকার থেকে আলোয় উত্তরণের পথের দিশা আমরা দাবী করতেই পারি।
শুভ দোল পূর্ণিমা সব বন্ধুকে।